Skip to main content

ইন্ট্রোভার্ট , এক্সট্রোভার্ট এবং অ্যাম্বিভার্ট এর পার্থক্য? Difference between an introvert , an extrovert and an ambivert?


ইন্ট্রোভার্ট :
  • ছোট ছোট কথা উপভোগ করে না
  •  ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সাথে অল্প সময়ের জন্য বাইরে থাকা উপভোগ করে
  • নিজেকে আবার চাঙা  করার জন্য একা সময় প্রয়োজন
  • আশপাশ সম্পর্কে পর্যবেক্ষন
  • কাজ করার আগে চিন্তা করা




এক্সট্রোভার্ট :

  • চিন্তা করার আগে কাজ করা
  • আশেপাশে মানুষ থাকালে খেয়াল না করা 
  • খুব বেশি সময় একা থাকা বিছিন্ন বোধ করা
  • চিন্তা এবং অনুভূতি নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করে
  • সাধারণত ভাল নেতা

অ্যাম্বিভার্ট

  • নতুন মানুষের সাথে মিটিং উপভোগ করা  তবে পছন্দের এক বন্ধুর সাথে থাকা
  • আগ্রহের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে বেশি পছন্দ করা
  • মানুষের সাথে অতিরিক্ত সময় থাকলে  ক্লান্তিকর হতে পারে
  • একটি পার্টিতে মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া
  • "ব্যালেন্স আউট" এ ভাল - কারো কারো সাথে কথা কম বলা , চুপচাপ এমন কারো সাথে বেশি কথা বলা

    Comments

    Popular posts from this blog

    এমবিভার্ট (ambivert) কি ? what is ambivert ?

    আমাদের মাঝে কেউ কেউ ইন্ট্রোভার্ট হয় আবার কেউ হয় এক্সট্রোভার্ট অর্থাৎ কেউ খুব মিশুকে হয়(Extrovert) কেউ আবার নিজের মত একা থাকে(Introvert)। কিন্তু এদের মাঝামাঝি আরেক ভাগ আছে যারা কখনো ইন্ট্রোভার্ট আবার কখনো এক্সট্রোভার্ট। এদেরকে বলা হয় এমবিভার্ট। জীবনে চলার পথে সবচেয়ে বেশি সমস্যা এমবিভার্টদের হয়। যারা এমবিভার্ট তারা মাঝে মাঝে খুব হৈ চৈ করতে ভালোবাসে আবার মাঝে মাঝেই একা থাকতে ভালোবাসে।এরা সহজে সবার সাথে মিশে যায় কিন্তু তবুও এদের অনেক ফ্রেন্ড থাকেনা আবার এরা একদম একাও থাকেনা। গুটিকয়েক ফ্রেন্ড নিয়েই এরা থাকে। এদের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো শত কষ্ট হলেও এরা মুখ ফুটে বলবেনা কিছু আপনাকে। বরং সেই কষ্ট সহ্য করেই হাসিমুখে থাকবে। তাই এদের মন খারাপ হলেও সেটা মুখে না বলা পর্যন্ত আপনি সেটা ধরতে পারবেননা। ওদের একটা আলাদা জগৎ থাকে। নিজেদের চারপাশে এরা একটা দেয়াল বানিয়ে নেয়।সে জগতে আপনি চাইলেই প্রবেশ করতেই পারবেননা। বরং সেখানে প্রবেশ করার চাবি হচ্ছে আপনার ভালোবাসা আর ভরসা করার মতো ভালো ব্যবহার। এমবিভার্টরা যাকে ভালোবাসে তাকে খুব মন দিয়ে ভালোবেসে ফেলে। আর তাই কষ্টটাও বেশ...

    বিতর্কিত দেশবিভাগ ও সিলেটকে পাকিস্তানের অংশে দেওয়া

    দেশবিভাগ ভারতবর্ষের সবচেয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ ঘটনা। অনেক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত এবং হতাশাজনক ঘটনা ছিল দেশবিভাগে। এর মধ্যে সবচেয়ে হতাশার ছিল বাংলা ভাগ। বাংলা ভাগ ছিল সবচেয়ে বড় কুটনৈতিক ব্যার্থতা। বাংলাকে পশ্চিমবঙ্গ এবং পূর্ববঙ্গে ভাগ করা হয়। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গে আসাম এবং পূর্ববঙ্গ নিয়ে গঠিত হয়েছিল আসাম-বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি। ১৯১২ সালের বঙ্গভঙ্গ রদের পরবর্তী সময়ে বিভক্ত বাংলা এক হয়ে যায় এবং আসাম একটি আলাদা প্রদেশ হয় এবং বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি থেকে আসাম,বিহার এবং উড়িষ্যা আলাদা করে দেয়া হয়।১৯৪৭ সালের দেশ ভাগের ভিত্তি ছিল ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা। তখন বাংলা এবং পাঞ্জাবে গণভোটের আয়োজন করা হয়। বাংলায় সিলেট একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলা যা হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশ আসামের অন্তর্ভুক্ত ছিল। সিলেটের লোকজন সিলেটি বা বাংলায় কথা বলত যেখানে এই প্রদেশের বাকি লোকজন আসামি ভাষায় কথা বলত। আসাম সরকার মনে করত সিলেট কে সরিয়ে দিলে এটা জাতীয়তা এবং ভাষার দিক থেকে বেশি স্বদেশী হবে এবং ফলে অধিক শক্তিশালী হবে। আসামের প্রধানমন্ত্রী গোপিনাথ বরদলই ১৯৪৬ সালে বলেন যে তার ইচ্ছা “সিলেটকে পূর্ব বঙ্গে হস্তান্তর করা”।সিলেটে গণভোটের ...